দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

দেশজুড়ে শক্তিশালী ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত এবং মানুষের প্রিয় কনটেন্টকে আরও সহজে কাছে পৌঁছে দিতে ‘এক বাংলাদেশ, এক ইন্টারনেট’ উদ্যোগ চালু করেছে গ্রামীণফোন। এ উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য আরও উন্নত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতার পাশাপাশি দেশজুড়ে বিভিন্ন কনটেন্ট, সম্ভাবনা ও অভিজ্ঞতা অন্বেষণের সুযোগ তুলে ধরা হয়েছে।
উদ্যোগটির মূল ভাবনা হলো—একটি শক্তিশালী ও সমন্বিত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা দেশের মানুষের প্রয়োজনীয় কনটেন্ট ও ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে আরও সহজে হাতের নাগালে নিয়ে আসতে পারে।
ডিজিটাল জীবনে ভিডিওর ব্যবহার ক্রমেই বাড়ছে। এ কারণে দ্রুত ও নির্বিঘ্ন ভিডিও দেখার অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে গ্রামীণফোন ধারাবাহিকভাবে নেটওয়ার্কে বিনিয়োগ করছে। এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো প্রতিষ্ঠানটির বিস্তৃত লোকাল ক্যাশিং ব্যবস্থা। এর মাধ্যমে বহুল ব্যবহৃত কনটেন্ট ব্যবহারকারীদের কাছাকাছি সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা হয়।
সহজভাবে বললে, একজন গ্রাহকের পছন্দের কনটেন্ট এখন তাঁর কাছাকাছিই পৌঁছে যাচ্ছে। জনপ্রিয় কোনো ভিডিও প্রতিবার দেখার সময় বৈশ্বিক ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মাধ্যমে হাজার হাজার কিলোমিটার দূরের সার্ভার থেকে তথ্য আনার পরিবর্তে লোকাল ক্যাশিং প্রযুক্তির সাহায্যে অনেক কাছের সার্ভার থেকেই কনটেন্ট সরবরাহ করা সম্ভব হয়। ফলে তথ্যের যাত্রাপথ কমে যায় এবং ভিডিও দ্রুত চালু হয়।
গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কে একটি ভিডিওর প্রথম তথ্য মাত্র ৫৫ মিলিসেকেন্ডের মধ্যেই লোড হওয়া শুরু করতে পারে। লাইভ সম্প্রচার শুরু করা, ভিডিওতে সামনে এগিয়ে যাওয়া কিংবা পরবর্তী পর্ব চালু করা—সব ক্ষেত্রেই দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য নেটওয়ার্কটি তৈরি করা হয়েছে।
গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কে প্রতিদিন প্রায় ৩ লাখ ৫২ হাজার ঘণ্টা ভিডিও দেখা হয়। একটানা হিসাব করলে এই সময় প্রায় ৪০ বছরের সমান।
এই ভিডিও অভিজ্ঞতাকে আরও শক্তিশালী করতে গ্রামীণফোনের নেটওয়ার্কে ৭০০ ও ২৬০০ মেগাহার্টজের তরঙ্গ ব্যবহার করা হচ্ছে। দেশজুড়ে রয়েছে ২৪ হাজারের বেশি টাওয়ার। পাশাপাশি নেটওয়ার্ক সক্ষমতা ও প্রযুক্তি উন্নয়নে ধারাবাহিক বিনিয়োগ করছে প্রতিষ্ঠানটি।
এসব উদ্যোগ একসঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের জন্য আরও শক্তিশালী, দ্রুত ও সমন্বিত ইন্টারনেট অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখছে।